মা’রা’ত্মক আট রো’গের মহৌষ’ধ বৃষ্টির পানি!

|

বর্ষা মানেই যখন তখন ঝুম বৃষ্টি। তাইতো এই মৌসুমে সু’স্থ থাকাটা একটু ক’ষ্টকর হয়ে প’ড়ে। কারণ বর্ষা মানেই পে’টের রো’গ, হাঁচি, কাশি, সর্দি, জ্বর। এমনটাই ভেবে থাকেন সবাই। কিন্তু জা’নেন কি, এই বর্ষাই হয়ে উঠতে পারে রো’গমু’ক্তির ঋতু! নিশ্চয়ই ভাবছেন কীভাবে? চলুন জে’নে নেয়া যাক বি’স্তারিত-
বিজ্ঞানীদের একটা বড় অংশ বলছেন, বৃষ্টির পানি পৃথিবীর সবচেয়ে বিশুদ্ধ পানি।

অস্ট্রেলিয়ার একটি গবেষণা রিপোর্টের দা’বি, বৃষ্টির পানি পান করা সবচেয়ে নি’রাপদ। মাটি বা পাথরে থাকা মিনারেলস আর বর্জ্য, বৃষ্টির পানিতে থাকে না। সেকারণেই বৃষ্টির পানি পানে অনেক উপকারিতা দেখছেন বিজ্ঞানীরা। এক নজরে দেখে নেয়া যাক বৃষ্টির পানি কী কী রো’গের মহৌষধ-

হ’জমশ’ক্তি বাড়ায়

বৃষ্টির পানিতে থাকে অ্যালকালাইন পিএইচ যা অ্যাসিডিটি কমায়, হ’জমশ’ক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

রাসায়নিক মু’ক্ত পানি

ট্যাপের পানি জী’বাণুমু’ক্ত ক’রতে ক্লোরিন ব্যবহার করা হয়। আর ফ্লোরাইড আসে মাটির নিচ থেকে। বেশি মাত্রায় ক্লোরিন বা ফ্লোরাইড পে’টে গেলে গ্যাসট্রাইটিস, মাথাব্য’থার মতো স’মস্যা বাড়ে। বৃষ্টির পানিতে ফ্লোরাইড বা ক্লোরিন, কোনোটিই থাকে না।

ক্যা’ন্সার বিরো’ধী

বৃষ্টির পানিতে থাকা অ্যালকালাইন পিএইচ ক্যা’ন্সার কোষের বৃ’দ্ধি রুখে দেয়। ক্যা’ন্সার রো’গীদেরে ক্ষেত্রে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের কাজ করে বৃষ্টির পানি।

পাকস্থলীর স’মস্যা দূ’র করে

প্রতিদিন সকালে খালি পে’টে ২ থেকে ৩ চামচ বৃষ্টির পানি খাওয়া ভালো। পাকস্থলীতে অ্যাসিডিটি বা আলসার থাকলে বৃষ্টির পানি ওষুধের কাজ করে।

বৃষ্টির পানি সুন্দর চুল করে

কোনো মিনারেলস না থাকায়, বৃষ্টির পানি অত্যন্ত কোমল। এই পানিতে মাথা ধুতে পারলে শ্যাম্পু বা সাবানের চেয়েও ভালো কাজ দেয়।

ত্বকের পক্ষে উপকারী

বৃষ্টিতে ভিজলেই অসুখ- এটা পুরনো ধারণা। বিজ্ঞানীরা বলছেন, সুন্দর সু’স্থ ত্বক পেতে হলে, বৃষ্টির পানি অত্যন্ত উপযোগী। সুগন্ধি সাবানে থাকে অ্যাসিডিক পিএইচ যা ত্বককে রুক্ষ ও প্রা’ণহীন করে দেয়। বৃষ্টির পানিতে এসব কিছু নেই।

জ্বা’লা ও ব্যাকটেরিয়া নাশক

বৃষ্টির পানি কোষে জমে থাকা খা’রাপ ব্যাকটেরিয়াকে সাফ করে দেয়। ত্বকের জ্বা’লাও দূ’র হয়। তাই বিজ্ঞানীরা বলছেন, বৃষ্টি দেখে আর ঘরে বসে থাকা নয়। প্রা’ণ ভরে ভিজুন। বৃষ্টির পানি পান করুন।

বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করবেন যেভাবে

বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করার জন্য বড় আ’কারের পাত্র বা ড্রাম নিন। সেক্ষেত্রে ভালো মানের প্লাস্টিকের বিভিন্ন আ’কারের ড্রাম কাজে লা’গানো যেতে পারে। ড্রামের মুখ নেট ও ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রাখু’ন, যাতে মশা, কীটপতঙ্গ বা পোষা প্রা’ণী দ্বারা পানি ন’ষ্ট না হয়।

বাড়ির ছাদ যদি হয় টিনের, তাহলে তা বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করার জন্য আদর্শ। একটু খাটুনি করে টিনের চালের স’ঙ্গে ইউ শেপ করে টিন কে’টে বসিয়ে দিন। বৃষ্টির সময় ড্রামটি ওই আদল বরাবর বসিয়ে দিন। এতে সহজে পানি ভরে নেয়া যাবে।

সংরক্ষণ ও শোধন

বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ প্রক্রিয়া (রেইন ওয়াটার কালেকশন সিস্টেম) স্থাপন করে প্রাকৃতিক এ পানি মজুদ ক’রতে পারেন। এ প্রক্রিয়ায় মাটির নিচে একটি বড় ট্যাংক স্থাপন করা হয়। বৃষ্টি হলে পানি সরাসরি ট্যাংকে জমা হবে। এর স’ঙ্গে একটি ফিল্টার ও পাম্প থাকবে, যাতে আপনার চা’হিদা অনুযায়ী তা বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ক’রতে পারে। এ ধ’রনের সংরক্ষণ প্রক্রিয়া অবশ্য বেশ ব্যয়বহুল। অভিজ্ঞ লোক ডেকে এটি স্থাপন ক’রতে হবে।

স্বল্প পানি সংরক্ষণের জন্য বালতি, বড় আ’কারের জার, বোতল ইত্যাদি ব্যবহার করুন। খুব কম সময়ের মধ্যে এ পানি ব্যবহার করে ফেলতে হবে। বেশি সময় এ পানি রাখা যাবে না। এতে মশা বংশবৃ’দ্ধি করবে। সবচেয়ে ভালো হয় দুই দিনের মধ্যে পানি ব্যবহার করে ফেললে।








Leave a reply