মধ্য গগনে কিন্তু করোনা

|

স্বয়ং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যখন টালমাটাল অবস্থা প্রকাশ করছে, তখন বাংলাদেশের স্বাস্থ্যবিষয়ক কর্তাব্যক্তিরা ইতোমধ্যে বলাবলি শুরু করে দিয়েছেন করোনা মোকাবিলা প্রায় সমাপ্তির পথে এবং বিজয় সমাসন্ন। যদিও প্রকৃত অবস্থা তা বলে নয়। দু-দুটি বিশ্ব গড়ে পাঁচ বছর করে চললে সমরবিদরা মাঝে মাঝে ব্যাপক সাফল্যের কাহিনী শোনাতেন, পরে ‘ও তাইত’ পরিস্থিতির ব্যাখ্যা দিতেন তারা। করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কার হলেই করোনা লেজ গুটিয়ে গর্তে চলে যাবে এবং কারো সংক্রমণের কোনো ভয় বা সম্ভাবনা থাকবে না এমন ধরনের আশার বাণী শুনতে শুনতে সংক্রমণের ও মৃত্যুর মিছিল কিন্তু বেড়েই চলছে। করোনাকাল কিন্তু দীর্ঘায়িত হচ্ছে এবং হবে। অধিকাংশ দেশে এখন ফার্স্ট রাউন্ডের মোকাবিলা চলছে। সেকেন্ড রাউন্ড শুরু হয়েছে কোনো কোনো দেশে। এটি এখন বাস্তবতা যে করোনা ভাইরাস বিশ্বের অধিকাংশ দেশের মানুষকে আক্রান্ত হওয়ার আতঙ্ক আশঙ্কায় ফেলেছিল, যা অতীতে কখনো এমন কোনো দৈব-দুর্বিপাক, মহামারি বা দুর্যোগ এভাবে মানুষকে এতটা ভয়ের কাতারে বাঁধতে পারেনি। মানুষের মাধ্যমে ভয়ানক প্রকৃতির এই ভাইরাস সংক্রামিত হয় বলে ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তির এবং সামাজিক সংযোগ শুধু নিষিদ্ধই হচ্ছে না করোনায় আক্রান্তের প্রতি সহানুভ‚তি ও চিকিৎসাসেবা দেয়ার ব্যাপারটিও স্পর্শকাতরতার কাদায় মাখামাখি হয়ে মানবতার প্রতি হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। যে যতই ক্ষমতাধর হোক না কেন করোনার ভয় সবাইকে তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে। ব্যক্তি স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য করোনা যেমন ভয়াল প্রতিপক্ষ, মানুষের জীবন-জীবিকা তার আর্থ-সামাজিক অবস্থান, দেশ ও বিশ্ব অর্থনীতির জন্য করোনা ব্যাপক হুমকি প্রতীয়মান হচ্ছে। পুঁজিবাদ, বিশ্বায়ন, মুক্তবাজার অর্থনীতির ধারণা এবং এমনকি মেকি গণতন্ত্র অস্তিত্বের সংকটে পড়তে পারে বলে পণ্ডিতরা আশঙ্কা শুরু হয়েছে। তাই সবাইর উপলব্ধিতে আসছে মহামারি করোনা যেন যুগ যুগ ধরে মানবতার অবমাননা, বৈষম্য, লোভ, লালসা, মিথ্যাবাদিতা ও অহমিকার যে পাপাচার বিশ্বকে গ্রাস করছিল তার সমুদয় দূর করতে গোটা বিশ্বময় একটা প্রবল ঝাঁকুনি দিতেই এসেছে, কিন্তু সেসবের দূর তো দূরের কথা বণ্টন বৈষম্য, প্রবঞ্চনা, জুয়া জোচ্চুরি বরং বহাল তবিয়তে তো বটেই, আরো পরিশীলিত প্রশিক্ষিত অবয়বে বাড়ছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধির হারকে হার মানাবে মনে হতে পারে। গজেন্দ্রগামী করোনাকে তাই এখনো মধ্য গগনে ঠাওর করতে হচ্ছে। এসব শেষ না হলে তার অস্ত যাওয়ার সম্ভাবনা কিন্তু কম। করোনার উৎস, অতি সংক্রমণের প্রসার, প্রসার প্রতিরোধ এবং ব্যাপক প্রাণহানির প্রেক্ষাপট নিয়ে বিশ্ব শক্তিগুলোর মধ্যে কোনো ঠাণ্ডাযুদ্ধ পরিস্থিতি আছে কিনা, মানবিক বিপর্যয় রোধে তাদের কারো কারো দৃশ্যমান ব্যর্থতার পেছনে ভিন্ন উদ্দেশ্য বা অভিসন্ধি আছে কিনা তা নিয়ে সমাজ, অর্থ ও রাজনীতি বিজ্ঞানীরা ইতোমধ্যে কথা বলতে শুরু করে দিয়েছেন। মার্কিন ভাষাতত্ত¡বিদ-দার্শনিক নোয়াম চমস্কি এই সেদিন সোজাসাপ্টা বলেই ফেলেছেন, ‘চীনের বাইরে দেশগুলোর কাছে করোনার ভয়াবহতার তথ্য আগে থেকে থাকা সত্তে¡ও (‘Nothing was done. The crisis was then made worse by the treachery of the political

systems that didn’t pay attention to the information that they were aware of.’) রাজনৈতিক ভেদ-বুদ্ধির ফেরে কিছুই করা হয়নি, নইলে করোনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি কমানো যেত।’
সবাইকে সচেতনভাবে, দায়িত্বশীলতার সঙ্গে প্রতিরোধমূলক যা যা উপায় অবলম্বন করা দরকার তাতে শামিল করতে পারলেই করোনার ব্যাপক বিস্তার রোধ ও ক্ষয়ক্ষতি কমানো বা থামানো যাবে। করোনা সংক্রমণ ঠেকাবার সংগ্রামে ব্যর্থতা মানে মানবিক বিপর্যয় যেমন ঘটেছে চীনে, ইতালি, স্পেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্রে। এরা সবাই উন্নত বিশ্ব, সংক্রমণ ঠেকানোর সক্ষমতা সরঞ্জাম-অর্থ তাদের আছে তা সত্তে¡ও। বাংলাদেশে আগত প্রবাসীরা প্রযোজ্য কোয়ারেন্টাইন পরিপালন ছাড়া সমাজের সঙ্গে মিশে যাওয়ায়, সময়মতো লকডাউন না করে ‘ছুটিতে’ দলবেঁধে বাড়ি যাওয়া-আসার সুযোগ থেকেই ‘সামাজিক দূরত্ব’ সৃষ্টির মতো অত্যন্ত প্রয়োজনীয় কর্মসূচিতে কঠোর হওয়া থেকে সত্তে¡ও আসা হয়েছে। এর আগে ‘পূর্ব প্রস্ততি না থাকায়’ আক্রান্ত চিহ্নিতকরণে পরীক্ষার পর্যাপ্ত ব্যবস্থার অপ্রতুলতায় সংক্রামকদের শনাক্তকরণে বিলম্ব ঘটেছিল। যথাসময়ে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা সামগ্রী নিশ্চিত না হওয়ায় ইতোমধ্যে রোগীর চিকিৎসাসেবা-শুশ্রƒষা ও সমানুভ‚তি-সহানুভ‚তি পাওয়ার এমনকি মৃত্যুর পর সমাহিত হওয়ার সর্বজনীন অধিকার বঞ্চিত হওয়ার ভয় তৈরি হওয়ায়, করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পরীক্ষা করা বা করানোয় অনীহা, রোগীর তথ্য প্রকাশ না করার প্রবণতা বিদ্যমান থাকায় অত্যন্ত ছোঁয়াচে করোনা ভাইরাস সংক্রমণেরই বিস্তার ঘটার ভয় বেড়েই চলেছে। সংক্রমিত রোগী শনাক্তকরণ পদ্ধতিকে ব্যাপক, গণমুখী ও সহজসাধ্য করা, সম্ভাব্য সংক্রমণকারীদের কর্তৃপক্ষীয় কঠোর কোয়ারেন্টাইনে, আইসোলেশনে এবং গণচিকিৎসাসেবা দানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষীয় দায়িত্বশীলতার অনিবার্যতা এখনো শেষ হয়নি।
প্রাণঘাতী ভাইরাস করোনাকে স্বাস্থ্যগত সমস্যা ও সংকট হিসেবে দেখার ব্যাপারে কোনো দ্বিমত নেই, কিন্তু করোনার অভিঘাত মূলত যে অর্থনীতিতে সে বিষয়টি দিন দিন স্পষ্ট হচ্ছে। করোনার জন্ম ও বিকাশের এবং বিশ্বব্যাপী আঘাতের মূল প্রেরণা যে অর্থনৈতিক মোড়লিপনার খাত ও ক্ষেত্র দখল, পুঁজিবাদ ও বিশ্বায়ন-মুক্তবাজার ব্যবস্থায় চপেটাঘাত, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের পথ পরিষ্কার করা এবং নব্য সামন্তবাদী পরাশক্তির উদ্ভব তা বুঝতে আর সময় নিচ্ছে না।
এখনই সময় স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি পদক্ষেপ গ্রহণের। অভ্যন্তরীণ বাজার চাঙ্গা রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের কাল উপস্থিত। স্বাস্থ্য ও জীবিকা পরস্পরের হাত ধরে চলে। তাই করোনা মহামারি থেকে জনগণকে রক্ষায় স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। ছোট-

বড় ম্যানুফ্যাকচারিং, আমদানি-রপ্তানি, ব্যবসা বিপণন, কৃষি (খাদ্য, সবজি, মাছ, মাংস) উৎপাদন, পরিবহন, পর্যটন, সেবা ও আর্থিক খাতে পর্যায়ক্রমে ক্ষুদ্র মাঝারি ও বৃহৎ উদ্যোক্তাদের করোনায় ক্ষয়ক্ষতির শুমার করে প্রথমত তাদের টিকে থাকা এবং করোনার প্রকোপ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যার যার কাজ জোরেশোরে শুরু করতে পারে সে জন্য প্রণোদনা প্যাকেজ আকারে নগদ সহায়তাসহ ট্যাক্স ট্যারিফ ফিসকাল ইনসেনটিভ ঘোষণা করা হলেই দায়িত্ব শেষ মনে করা যাবে না। গ্রুপভিত্তিক সহায়তা বিতরণ ও ইনসেনটিভ প্রদানের ক্ষেত্রে আমলাতান্ত্রিক বিলম্ব পরিহার, দুর্নীতি, পক্ষপাতহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক দৃষ্টি ও জবাবদিহির ব্যবস্থা সংবলিত নীতিমালা ও অনুশাসন অনুসরণের আবশ্যকতা কি শেষ হয়েছে? নগদ সহায়তা প্রদান ও ইনসেনটিভ প্রদানে ব্যত্যয় হলে উদ্দেশ্য সফল তো হবেই না, বণ্টনে রক্তক্ষরণ বাড়াবে, আখেরে অর্থনীতি বেশি করে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা বিধান, সুশাসন কার্যকর ও নীতি-নৈতিকতার অধিষ্ঠান জোরদার করার কার্যক্রম এখন কোন পর্যায়ে? বলার অপেক্ষা রাখে না বাংলাদেশের আর্থিক খাত করোনা পূর্বকাল থেকেই বেশ কিছু বশংবদ দুর্বলতায় সংক্রামিত। ব্যাংকিং খাতে বড় বড় লোপাট, বিদেশে অর্থ পাচার, রাজস্ব ফাঁকি কিংবা অঢেল রেয়াত, কঠিন শর্তের দেশি-বিদেশি ঋণ গ্রহণ, প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব হেতু অস্বাভাবিক ব্যয় বৃদ্ধি, রেন্ট সিংকিং, ক্ষৈত্রিক পর্যায়েও পদে পদে দুর্নীতি, নানা ফন্দি-ফিকিরে গণসম্পদ ও স্বার্থ আত্মসাৎ, ক্ষমতার অপব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিবিধান প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাগুলোর কার্যকর ভ‚মিকার অবর্তমানে সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে উঠছিল। ফলে সমাজে আয়-বৈষম্য বৃদ্ধির মাত্রা সীমা অতিক্রান্ত হচ্ছে। করোনা-উত্তর পরিবেশে আয়-ব্যয় বণ্টন বৈষম্য বৃদ্ধির বিষয়টি সামাজিক সংহতি ও করোনায় ক্ষতি হেতু সবার বর্ধিত চাহিদা ও দাবি পূরণের পথে শৃঙ্খলা বিধানের ক্ষেত্রে হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। বিশ্বের প্রায় সব দেশেই করোনা উত্তরকালে সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। যে সব দেশে আয়-ব্যয় বৈষম্য পরিস্থিতি আগে থেকেই রোগাক্রান্ত সেসব দেশে গণঅসন্তোষ ও বিশৃঙ্খলা দেখা দেবে। বৈশ্বিক মন্দার প্রেক্ষাপটে নিজ নিজ দেশকেই তা মোকাবিলায় পারঙ্গম হতে হলে লুণ্ঠিত টাকা বা সম্পদ পুনরুদ্ধার ও বণ্টনে বৈষম্য/ দুর্নীতি দমনের আবশ্যকতা দেখা দেবে। ফিসক্যাল মেজারমেন্ট ও ম্যানেজমেন্টে সংস্কারে মনোযোগ দিতে হবে।
পণ্য ও সেবা উৎপাদন, আমদানি-রপ্তানি, সঞ্চয় ও বিনিয়োগ, বাজার ব্যবস্থাপনায় ‘নিজেরটা নিজে দেখ’ নীতি অবলম্বন করোনার বিশ্বব্যাপী বিচরণে ও মোটাতাজাদের সরু হওয়ার কারণে জাতীয় ও বিশ্ব অর্থনীতি ব্যবস্থাপনার চত্বর চৌহদ্দিতে এই উপলব্ধি পরিব্যপ্ত হচ্ছে বা হবে যে ‘পুঁজিবাদ’, ‘বিশ্বায়ন’ ও ‘মুক্তবাজার অর্থনীতি’র ধ্যান-ধারণা হালে পানি পাবে না। এখন ‘চাচা আপন বাচা’ নীতিতে অবগাহনের প্রয়োজন হবে। বঙ্গবন্ধু যেমনটি আহ্বান জানিয়েছিলেন ‘তোমাদের যার যা আছে তাই নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়’। আমাদের কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থায় সাফল্য আছে। একে আরো জোরদার করতে হবে। জাপানের মাত্র ২০ ভাগ জমি সমতল

এবং মাত্র ১৩ ভাগে তারা শুধু ধান চাষ করতে পারে। গবেষণা দ্বারা এমন চাষ পদ্ধতি তারা উদ্ভাবন করেছে যে খাদ্যশস্য উৎপাদনে তারা স্বয়ংসম্পূর্ণ। মৎস্য-পশুসম্পদ উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বয়ম্ভরতার পথে। যেহেতু বাংলাদেশের রয়েছে উর্বর কৃষি জমি, জলাশয়, অধিক ফলনশীল শস্য উৎপাদনের অবকাঠামো, উদ্যম ও উদ্যোগ সেহেতু খাদ্যশস্য, সবজি, মৎস্য ও মাংস নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে করোনা-উত্তর পরিস্থিতিতে বহির্বিশ্বের বর্ধিত ও সৃজিত চাহিদা মেটানোতে বাংলাদেশ বরং এ খাতে রপ্তানির মহাসড়কে উঠতে পারবে। করোনা এই সুযোগ বাংলাদেশের জন্য এনে দেবে যদি এ খাতের প্রতি যত্নবান ও মনোযোগ দেয়া হয়। বাংলাদেশের মানবসম্পদ তৈরি পোশাক খাতে যে অবদান রাখছে তাতে ভ্যালু এডিশন আরো বাড়ানো সম্ভব হবে বাংলাদেশ যদি কাঁচামাল, মেশিনারিজ ও টেকনোলজিতে ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ গড়ে তুলতে পারে। যে কোনোভাবে হোক ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজে গড়ে তুলতে মনোযোগী হতে হবে। বাংলাদেশের মানবসম্পদকে বাধ্যতামূলকভাবে ভোকেশনাল ট্রেনিং দিয়ে, কারিগরি উচ্চশিক্ষায় মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করে দেশের চাহিদা (উল্লেখ্য, বিদেশি কর্মীদের দ্বারা বার্ষিক গড়ে ৭ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা প্রত্যাবসন হয় বাংলাদেশ থেকে) মেটানো সম্ভব হবে, প্রশিক্ষিত মানবসম্পদ দেশে যে কোনো বৃত্তিমূলক পেশায় এবং বিদেশে ‘ভালো বেতনে’ কাজ পাবেন। মানবসম্পদে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের জন্য করোনা-উত্তর বিশ্ববাজারে সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে এ আশাবাদ ব্যক্ত করা যায়। করোনা মধ্য গগনে থাকার সময় এখনই অনেক কাজ শুরু করতে হবে। ‘নাতি খাতি বেলা গেল শুতি পারলাম না’ পরিস্থিতির সামনে হওয়ার আগেই।








Leave a reply