ডিআইইউতে অনলাইন ক্লাসে ৫৫ শতাংশ শিক্ষার্থীর অনীহা

|

করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকারি নির্দেশনায় গত ১৮ই মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তবে শিক্ষার্থীদের সেশনজটসহ নানাবিধ সমস্যা এড়াতে ইউজিসির নির্দেশনায় অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করেছে বেশ কিছু সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়।

অনলাইন ক্লাস ও পরীক্ষা চলছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অনলাইন শিক্ষার গুরুত্ব বিষয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছে ভিন্নমত। ব্রাক ইন্সটিটিউট অব গভার্নেন্স এন্ড ডেভেলপমেন্ট এর এক গবেষণায় উঠে এসেছে অনলাইন ক্লাসের ভিডিও কন্টেন্ট দেখছে মাত্র ১৬ শতাংশ শিক্ষার্থী এবং মাত্র ১ শতাংশ শিক্ষার্থী অনলাইন ক্লাস করছে৷

অনলাইনে ক্লাস করতে শিক্ষার্থীরা কেমন আগ্রহী তা জানতে সম্প্রতি ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) শিক্ষার্থীদের এক অনলাইন জরিপের আয়োজন করা হয়৷

শনিবার (১৫ আগস্ট) ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে অনলাইন ক্লাসের এই জরিপে উঠে আসে শতকরা ৫৫ ভাগ শিক্ষার্থী অনলাইনে ক্লাস করতে আগ্রহী নয়।

অনলাইন নির্ভর এই জরিপে দেখা যায় শতকরা ৪৫ শতাংশ শিক্ষার্থী অনলাইনে ক্লাস করতে ইচ্ছুক হলেও ৫৫ শতাংশই এর বিপরীতে মত দেন। জরিপে বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়ণরত ২৩০০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। তাদের মধ্যে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী অনলাইনে ক্লাস না করার পক্ষে ভোট দিয়েছেন৷

ডিআইইউ অফিসিয়াল ফেসবুক পেজের এই অনলাইন জরিপ ও অনলাইনে ক্লাস নিয়ে কথা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থীর সাথে। তারা জানিয়েছেন তাদের সমস্যা ও সীমাবদ্ধতার কথা৷

অনলাইন ক্লাসে আগ্রহী নয় এমন শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া অধিকাংশ শিক্ষার্থীর বাড়ি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে। যেখানে ইন্টারনেট সংযোগ খু্ব দুর্বল। এছাড়া সবাই ইচ্ছে করলেও ইন্টারনেটের আওতায় আসতে পারবেন না। এ বিবেচনায় তাঁরা অনলাইনে ক্লাস করতে আগ্রহী না। অন্যদিকে দীর্ঘদিন ক্লাস না হওয়ায় দীর্ঘ সেশনজটে পড়ার ভয় করছেন শিক্ষার্থীরা। তবে শিক্ষার্থীরা মনে করছেন, অনলাইনে ক্লাস না নিলেও স্বাস্থবিধি মেনে ধীরে ধীরে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিলে শিক্ষার্থীদের সেশনজট সমস্যা কিছুটা কমে আসবে।








Leave a reply