মেজর সিনহার সহযোগী- “শিপ্রার ভিডিও দেখে হতভম্ব হয়ে গেছি” ড. আসিফ নজরুল

|

সম্প্রতি কক্সবাজারের মেরিনড্রাইভে পুলিশের গুলিতে নিহত অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহার সহযোগী স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শিপ্রা দেবনাথের সাম্প্রতিক কিছু ভিডিও ও ছবি নিয়ে সমালোচনার ঝড় শুরু হয়ে গিয়েছে সামাজিক মাধ্যমে। শিপ্রার বক্তব্য নিয়ে অনেকেই ক্ষোভ ঝেড়েছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড.আসিফ নজরুল শিপ্রার ভিডিওটি দেখে ‘হতভম্ব’ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসে।

ড. আসিফ নজরুল তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে স্ট্যাটাসে বলেন, ‘মেজর সিনহার হত্যাকাণ্ডের পর শিপ্রা দেবনাথের একটি ভিডিও দেখে হতভম্ব হয়ে গেছি। মনে হয়েছে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহার হত্যার বিচার না, শিপ্রার আসল চিন্তা ইউটিউব চ্যানেলের উপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে। মেয়েটি সেখানে যেভাবে বলল সিনহা ‘মারা গেছে’ মনে হলো যেন তাকে কেউ হত্যা করেনি, পাহাড়-টাহার থেকে দুর্ঘটনাবশত পড়ে মৃত্যুটি ঘটেছে!

তার সাথে সিনহার যতো অন্তরঙ্গ সম্পর্ক থাকুক না কেন, পাবলিকলি সে যেভাবে সিনহা, সিনহা বলে তাকে উল্লেখ করেছে তা অত্যন্ত অরুচিকর লেগেছে আমার কাছে। আর এত ঘনিষ্ঠ যদি হয় তাদের সম্পর্ক, তাহলে তার মর্মান্তিক হত্যাকান্ডের পর শিপ্রার আচার-আচরণ তো সন্দেহজনক বলতে হবে!

পুরো ভিডিওটা দেখে আমি এমন বিরক্ত হয়েছি যে তা বলার মতো না। কি দুর্ভাগ্য, মেজর সিনহা এমন একটা আজব সহকর্মী রেখে গেছেন তার সম্পর্কে বলার জন্য।’

গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফ বাহারছড়া চেকপোস্টে তল্লাশির সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় হত্যা ও মাদক আইনে এবং রামু থানায় মাদক আইনে পৃথক ৩টি মামলা দায়ের করে। এ মামলায় নিহত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খানের সঙ্গে থাকা শাহেদুল ইসলাম সিফাত ও শিপ্রা রানী দেব নাথকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়ে দেয় পুলিশ।

৫ আগস্ট নিহত সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ইন্সপেক্টর লিয়াকত, ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ৬ আগস্ট বরখাস্ত ওসি প্রদীপ ও লিয়াকতসহ ৭ আসামি কক্সবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।








Leave a reply