ব্রেকিং নিউজঃ শাহজালাল মাজারে হামলার পরিকল্পনা, নব্য জেএমবি’র ৫ সদস্য আটক( ভিডিওসহ)

|

হযরত শাহজালাল রহমাতুল্লাহ আলাইহির মাজারে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করার অভিযোগে নব্য জেএমবি’র সিলেট সেক্টর কমান্ডারসহ ৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, রোববার রাতে নগরীর মিরাবাজারের উদ্দিপনের ৫১ নম্বর বাসা থেকে নব্য জেএমবি’র সিলেট আঞ্চলিক কমান্ডার ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নাইমুজ্জামানকেও আটক করা হয়। পরে ঢাকা থেকে যাওয়া পুলিশের বিশেষ একটি দল, মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে আরও ৪ জনকে আটক করে।

তাদের মধ্যে সাদিও শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী। আর সায়েম লেখাপড়া করে মদনমোহন কলেজে। বাকি দু’জনের বিষয়েও ভাল করে খোঁজখবর করছে পুলিশ।

নব্য জিএমবি’র ৫ সদস্য আটক, শাহজালাল মাজারে হামলার পরিকল্পনা

শাহজালাল মাজারে হামলার পরিকল্পনা,নব্য জিএমবি’র ৫ সদস্য আটক

Gepostet von Barta Bazar am Dienstag, 11. August 2020

নগর সিলেটের মধ্যখানে টিলার উপর চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন হযরত শাহজালাল (রহ:) এর মাজারজেয়ারতের জন্য দেশের নানা প্রান্ত থেকে প্রতিদিনইধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে হাজার হাজার মানুষ সিলেট চলে আসেন। শাহজালাল চরণস্পর্শপাওয়ার কারণেই সিলেটকে অনেকেই পূণ্যভূমি হিসেবে অভিহিত করেন। হযরত শাহজালাল (রহ:)একজন বিখ্যাত দরবেশ ও পীর। তাঁকে ওলিকুল শিরোমণিও আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। সিলেট অঞ্চলে তাঁর মাধ্যমেই ইসলামেরপ্রসার ঘটে। সিলেটের প্রথম মুসলমান শেখ বুরহান উদ্দিনের ওপর রাজা গৌরগোবিন্দের অত্যাচার এবং এর প্রেক্ষিতে হযরত শাহজালাল (র:) ও তাঁর সফরসঙ্গী৩৬০ আউলিয়ার সিলেট আগমন ইতিহাসের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা।শাহজালাল (র.) এর মাজার চত্বরের উত্তরদিকে রয়েছে একটি পুকুর। এই পুকুরেআছে অসংখ্য গজার মাছ। এসব মাছকে পবিত্র জ্ঞান করে দর্শনার্থীরা ছোট ছোট মাছখেতে দেন। গজার মাছের পুকুরে ভেসে বেড়ানো আগতদের আনন্দ দেয়।


হযরতশাহজালাল (র:) এর আধ্যাত্মিক শক্তির পরিচয় পেয়ে হযরত নিজামুদ্দিনআউলিয়া (র:) তাঁকে সাদরে গ্রহণ করেন। প্রীতির নিদর্শনস্বরূপ তিনি তাঁকেএকজোড়া সুরমা রঙের কবুতর বা জালালী কবুতর উপহার দেন। সিলেট ও এর আশপাশেরঅঞ্চলে বর্তমানে যে সুরমা রঙের কবুতর দেখা যায় তা ওই কপোত যুগলের বংশধরএবং জালালী কবুতর নামে খ্যাত। শাহজালালের মাজার এলাকায় প্রতিদিন ঝাঁকেঝাঁকে কবুতর উড়তে দেখা যায়। সিলেটের জনমানসে এই কবুতর নিয়ে অনেকজনশ্রুতি আছে।


শাহজালাল এর মাজারের পাশেই রয়েছে একটি কূপ। এই কূপেসোনা ও রুপার রঙের মাছের অবস্থান দেখা যায়। চারপাশ পাকা এই কূপেদিনরাত পানি প্রবাহিত হয়ে থাকে। মাজারের পশ্চিম দিকে গেলে ঝরনাও দেখতে পাওয়া যায়। ঝরনার পানি বোতল ভর্তি করে বিক্রি করা হয়।
মাজারের পূর্ব দিকেএকতলা ঘরের ভেতরে বড় তিনটি ডেকচি রয়েছে। এগুলো ঢাকার মীর মুরাদ দানকরেছেন। ডেকচিগুলোতে রান্না বান্না হয় না। পূণ্যের উদ্দেশ্যে প্রতিদিনদর্শনার্থীরা ডেকচিগুলোতে অনেক টাকা পয়সা দান করেন।মাজারের দক্ষিণদিকে গ্রীলঘেরা তারকা খচিত ছোট্ট ঘরটি শাহজালালের চিল্লাখানা। স্থানটিমাত্র দু’ফুট চওড়া। কথিত আছে- হযরত শাহজালাল এই চিল্লাখানায় জীবনের   ২৩বছর আরাধনায় কাটিয়েছেন।
দরগার পাশ্ববর্তী মুফতি নাজিমুদ্দিন আহমদেরবাড়িতে হযরত শাহজালালের তলোয়ার ও খড়ম সংরক্ষিত আছে। প্লেট ও বাটিসংরক্ষিত আছে দরগাহ’র মোতওয়াল্লির বাড়িতে।








Leave a reply