কফিশপে মানুষের সঙ্গে কাজ করছে পেঁচারাও ! আপ্যায়নের দায়িত্ব তাদের

|

তারা দিব্যি উড়ে এসে বসছে আপনার কোলে। আপনার ল্যাপটপে মাথা রেখে, গায়ে গা ঘষে আদরও করে দিতে পারে।

ক্যাফে বা কফিশপ। বন্ধু বা কাছের মানুষের সঙ্গে কফিশপে বসে একটু আড্ডা দিতে কার না ভাল লাগে ! কফি খেতে খেতে যদি একটু পশু-পাখির দেখা পাওয়া যায়, তবেও কিন্তু মন্দ হয় না ব্যাপারটা। কফিশপে মানুষ যায় সময় কাটাতে। নতুন ভাল মুহূর্ত তৈরি করতে। সেই সঙ্গে গরম বা ঠাণ্ডা কফিতে জমে উঠতেই পারে সন্ধে। তবে কফিশপে মানুষকে ধরে রাখতে আজকাল নানা কিছু ভাবা হচ্ছে।

যেমন মুম্বইয়ের এক কফিশপে আছে অনেক বেড়াল। যাঁরা বেড়াল ভালবাসেন এই কফিশপ তাঁদের জন্য। তাঁরা এখানে গিয়ে কফি খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কোলে মিষ্টি বেড়াল ছানাকে নিয়ে বসে গল্পও করতে পারবেন। চাইলে এখান থেকে পছন্দের বেড়াল দত্তকও নিতে পারেন। কিন্তু তার জন্য দরকার বেড়ালের সঙ্গে বন্ধুত্ব হওয়া। বেড়াল আপনাকে ভালবাসলে তবেই আপনি নিতে পারবেন, নয়তো নয়। বেশ জমে উঠেছে এই কফিশপ। তেমনই আছে কুকুরদের নিয়ে কফিশপ। নানা জাতের কুকুর আছে কফিশপে। সেখানে আপনার কফির সঙ্গী হতে পারে কুকুর।

বেড়াল, কুকুর পর্যন্ত ঠিক আছে। তাইবলে পেঁচার কফিশপ। হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন। পেঁচার কফিশপ। এখানে রয়েছে প্রায় দশ বারোটি পেঁচা। বলা হয়, পেঁচা নাকি পোষ মানে না। কিন্তু এই পেঁচাদের দেখলে কে বলবে। তারা দিব্যি উড়ে এসে বসছে আপনার কোলে। আপনার ল্যাপটপে মাথা রেখে, গায়ে গা ঘষে আদরও করে দিতে পারে। তবে এই কফিশপটি ভারতে নয়, রয়েছে রাশিয়ায়। সম্প্রতি ট্যুইটারে একটি ভিডিও শেয়ার হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে এক ছেলে ল্যাপটপ খুলে কফি খাচ্ছে। পেঁচা এসে সঙ্গ দিচ্ছে তাঁকে। এই মজার কফিশপটি দেখে সকলেই প্রশংসা শুরু করেছেন। তবে এই সব পেঁচাদের বিভিন্ন জায়গা থেকে উদ্ধার করে আনা হয়েছে। তারা সকলেই নানা ভাবে আহত ছিল। সুস্থ হয়ে ওঠার পর এরা কেউই আর বনে বা গাছে ফেরেনি। আদরে যত্নে পেঁচাদের স্বর্গ হয়ে উঠেছে এই কফিশপটি।








Leave a reply