কোয়ের্টজেনকে টপকে আলিম দারের রেকর্ড

|

টেস্টে সবচেয়ে বেশি ম্যাচে আম্পায়ারিংয়ের রেকর্ড তার। এবার আরেকটি কীর্তি গড়লেন আলিম দার। নিজের করে নিলেন ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি ২১০ ম্যাচ পরিচালনার রেকর্ড। পেছনে ফেললেন রুডি কোয়ের্টজেনকে। গত শুক্রবার পাকিস্তান-জিম্বাবুয়ের প্রথম ওয়ানডেতে আম্পায়ার হিসেবে মাঠে নেমে দার স্পর্শ করেন কোয়ের্টজেনের ২০৯ ম্যাচ পরিচালনার রেকর্ড।রাওয়ালপিন্ডিতে রোববার দুই দলের দ্বিতীয় ওয়ানডে দিয়ে তিনি ছাড়িয়ে যান দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক এই আম্পায়ারকে।

এই দুইজন ছাড়া ২০০ ওয়ানডেতে আম্পায়ারিং করেছেন কেবল বিলি বাউডেন। ১৯৯৫-২০১৬ সাল পর্যন্ত বরাবর ২০০ ওয়ানডে পরিচালনা করেন নিউজিল্যান্ডের এই আম্পায়ার। ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্টিভ বাকনর ১৮৪ ও অস্ট্রেলিয়ার ড্যারিল হার্পার ১৭৪ ম্যাচে আম্পায়ার ছিলেন। আম্পায়ার হিসেবে দারের ক্যারিয়ার শুরু ২০০০ সালে, গুজরানওয়ালাতে পাকিস্তান-শ্রীলংকা ওয়ানডে দিয়ে। তিন বছর পর ঢাকায় বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড ম্যাচ দিয়ে হয় আম্পায়ার হিসেবে টেস্ট অভিষেক। আন্তর্জাতিক টি২০তে আম্পায়ার হিসেবে তার পথচলা শুরু ২০০৯ সালে, দুবাইয়ে পাকিস্তান-অস্ট্রেলিয়ার ম্যাচে।

গত ডিসেম্বরে বাকনরের ১২৮ টেস্ট পরিচালনার রেকর্ড ছাড়িয়ে যান দার। এখন পর্যন্ত লাল বলের ক্রিকেটে ১৩২ ম্যাচে আম্পায়ারিং করেছেন ৫১ বছর বয়সি এই পাকিস্তানি। টি২০তে একটু পিছিয়ে তিনি, ৪৬ ম্যাচ পরিচালনা করে আছেন দুইয়ে। তার চেয়ে তিন ম্যাচ বেশি আম্পায়ারিং করে শীর্ষে আরেক পাকিস্তানি আহসান রাজা। ১২ বছরের খেলোয়াড়ি জীবনে ১৭টি প্রথম শ্রেণি ও ১৮টি লিস্ট ‘এ’ ম্যাচ খেলেন দার। এরপর আম্পায়ার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন তিনি। আইসিসির এলিট প্যানেলে রয়েছেন ২০০৪ সাল থেকে।

আইসিসিকে দার জানান, তার ভাবনায়ও ছিল না এত লম্বা পথ পাড়ি দিতে পারবেন তিনি, আম্পায়ার হিসেবে টেস্ট ও ওয়ানডে দুই সংস্করণেই শীর্ষে থাকতে পারা আমার জন্য অনেক বড় সম্মানের। এই পেশা যখন শুরু করেছিলাম, কখনো কল্পনাও করিনি আমি এত দূর আসব। আমি স্রেফ বলতে পারি, মাঠের প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করেছি। আর এই সময় শেখার ব্যাপারটি ছিল চলমান প্রক্রিয়া।’








Leave a reply